About Us
এবিটিএ দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলা শাখার সম্পর্কে
১৯৮৬ সালে প্রশাসনিক ভাবে ২৪ পরগণা জেলা দুটি ভাগে বিভক্ত হয়। উত্তর ২৪ পরগণা ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা। সেই মতো সমিতিগত ভাবে আমরা দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলা শাখার অন্তর্ভুক্ত হই।
দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার ভৌগোলিক অবস্থান একদিকে সাগর, পাথরপ্রতিমা, কাকদ্বীপ, নামখানা, রায়দীঘি, ক্যানিং, কুলতলী, বাসন্তী, গোসাবা প্রভৃতি নদীবেষ্টিত জলা জঙ্গল-অধ্যুষিত, অন্যদিকে মহেশতলা, বজবজ, নোদাখালি শিল্পাঞ্চল, বুডুল (চট্টগ্রাম যুব বিদ্রোহের নায়ক অনুরূপ সেনের কর্মস্থল)। সবই হুগলী নদীর তীরবর্তী। একইভাবে জেলার অন্তর্গত ফলতা, ডায়মন্ডহারবার, কুলপী, উস্থি, রামনগর, মন্দিরবাজার, মথুরাপুর প্রভৃতি কৃষি অঞ্চল ও প্রশাসনিক শহর। মাঝের জয়নগর, বারুইপুর, বিষ্ণুপুর, সোনারপুর, ভাঙড়, মগরাহাট কলকাতার নিকটবর্তী আধা-শহরাঞ্চল ও কৃষি অঞ্চল। নদীনালা-বেষ্টিত এই জেলায় সমিতির কাজ করা খুব কঠিন ছিল এক সময়। কিন্তু নেতৃত্ব দৃঢ়তার সঙ্গে তা সম্পন্ন করেছেন।
১৯৮৬ সালে বিভক্ত দক্ষিণ ২৪ পরগণার প্রথম সভাপতি হলেন সজল রায়চৌধুরী ও সম্পাদক নিশিকান্ত বিশ্বাস। পরবর্তীতে সম্পাদক হয়েছেন রবি বসু, আব্দুস ছোবহান গাজী, চিত্তরঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়, জ্যোতির্ময় ধর, রবীন রায় ও বর্তমানে অনুপম রায়। এবং সভাপতি হিসাবে আব্দুস ছোবহান গাজী, রবি বসু, চিত্তরঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়, রঘুপতি কপাট, শিবপ্রসাদ চক্রবর্তী ও বর্তমানে রবীন রায় আছেন।
অবিভক্ত অবস্থায় দুটি মহকুমা ছিল। আলিপুর, ডায়মন্ডহারবার। বিভক্ত হওয়ার পর ৫টি মহকুমা হয়। আলিপুর, বারুইপুর, ক্যানিং, কাকদ্বীপ, ডায়মন্ডহারবার। জোনের ক্ষেত্রেও একইভাবে বজবজ হয় নোদাখালি ও বজবজ, বিষ্ণুপুর পূর্ব ও পশ্চিম, ডায়মন্ডহারবার ও রামনগর।
বর্তমানে শতবর্ষের সময়কালে জেলা শাখার অধীনে সাংগঠনিকভাবে মোট ২৮টি জোন ও ৫টি মহকুমা কাজ করছে ।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন